الأول
(الأوَّل) كلمةٌ تدل على الترتيب، وهو اسمٌ من أسماء الله الحسنى،...
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখেছি, তার নিকট পানি ভর্তি একটি পাত্র ছিল, তিনি তাতে হাত ডুবাতেন তারপর হাতের পানি দিয়ে চেহারা মাসেহ করতেন। অতঃপর তিনি বলতেন “হে আল্লাহ তুমি আমাকে মৃত্যু যন্ত্রণা বা মৃত্যুর কষ্টতে সাহায্য কর।”
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মুমুর্ষূ অবস্থায় দেখেছি, তার নিকট পানি ভর্তি একটি পাত্র ছিল, তাতে তিনি হাত ডুবাতেন তারপর হাতের পানি দিয়ে চেহারা মাসেহ করতেন। অতঃপর তিনি বলতেন “হে আল্লাহ তুমি আমাকে মৃত্যু যন্ত্রণা বা মৃত্যুর কষ্টের ওপর সাহায্য কর। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে পাত্রে পানি ছিল, তাতে হাত দিতেন আর তা দিয়ে তিনি চেহারা মাসেহ করতেন। আর বলতেন, হে আল্লাহ তুমি আমাকে সাহায্য কর মৃত্যু যন্ত্রণায় অথবা বলেছেন, মৃত্যুর কষ্টে। অর্থাৎ, তুমি সাহায্য কর যাতে আমি সহ্য করতে পারি, ধৈর্য ধারণ করতে পারি, বিবেক কাজে লাগাতে পারি এবং আমার জ্ঞান যেন বিলুপ্ত না হয়। এমনকি আমি যা বলি, তা যেন সঠিক বলি আর আমার পরিসমাপ্তি যেন ‘আল্লাহ ছাড়া সত্যিকার কোনো ইলাহ নেই ও মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল’ এ কথার সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে হয়। কারণ, তখনকার অবস্থা খুবই মারাত্মক, কঠিন ও ভয়াবহ অবস্থা, মহান আল্লাহ যদি সাহায্য না করেন এবং তোমাকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফীক না দেন, তাহলে তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এ কারণেই রাসূল বলতেন, হে আল্লাহ তুমি আমাকে মৃত্যু যন্ত্রণার ওপর সাহায্য কর। অপর বর্ণনায় এসেছে, তিনি বলতেন, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, নিশ্চয় মৃত্যুর রয়েছে অনেক পাগলামী। এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সঠিক বলেছেন, কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, “আর মৃত্যুর পাগলামী যথাযথই আসবে।” [সূরা কাফ, আয়াত: ১৯]